#দরজা# #মধুমিতা_সেনগুপ্ত ২ জুলাই ২০২০ সকালে ঘুম ভাঙতেই ধড়মড় করে উঠে বসে চৈতালি। কিছু কি স্বপ্ন দেখছিল সারারাত ধরে ? মনে পড়ে না । তাড়াতাড়ি মুখ ধুয়ে বসার ঘরে এসে দেখে সুমন আর ছেলে জোজো মোটামুটি রেডি হয়ে ব্রেকফাস্ট টেবিলে। সুমন টিপ্পনী কাটে 'যার বিয়ে তার হুঁশ নেই পাড়া-পড়শির ঘুম নেই'। সত্যিই তো । আজকের প্ল্যানটা তো শুধুমাত্র চৈতালির জন্যই । আজ চারদিন হলো চৈতালি বাপের বাড়ি এসেছে মুম্বই থেকে। প্রতিবারই আসে কয়েক দিনের জন্য । কিন্তু কোনোবারই বালিপুর বাগানে যাওয়া হয়না। এবার সুমন সময় বের করে নিজেই প্ল্যান করেছে। আর ঠিক যাওয়ার দিনই এতটা ঘুমিয়ে সময় নষ্ট করে দিলো নিজেই। আসলে বাপের বাড়িতে আসলেই ঘুম বেড়ে যায় চৈতালির। ভাগ্যিস মা-বাবা এখনো আছেন বিশেষ করে ...
পোস্টগুলি
জুলাই, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
কেউ অস্বীকার করতে পারবেন না, এই করোনাকালে আমাদের অপ্রাপ্তি থেকে প্রাপ্তির ভাণ্ডার হাজার গুণে পূর্ণ। আজ থেকে চার মাস আগে আমরা যে ঘোড়দৌড়ে ব্যস্ত ছিলাম, সারাদিনের ক্লান্তির পর নির্বাক কর্মহীন রাত্রি গুলো আমাদের যেভাবে কাটতো, করোনা তার মধ্যে এক অদ্ভুত নতুন ধরণের বিরামচিহ্ন এঁকে দিল। আমরা তো জানতামই না, আমরা সুরে বেসুরে গান গেয়েও মানুষের মন জয় করতে পারি, ভুলভাল ছন্দহীন কবিতা লিখতে পারি, জানতামই না ফেসবুকে লেখা গল্প দিয়ে ছোটো পত্রিকায় ডাক পেতে পারি। কিংবা ঘন্টার পর ঘন্টা জ্ঞানগর্ভ ফেসবুক লাইভ শুনে সন্ধেটা পার করে দিতে পারি। আমরা তো এতোদিন বৃষ্টি ভিজতে ভুলেছিলাম,, দুপুরবেলা শুয়ে শুয়ে বই পড়তে ভুলেছিলাম। দুটো কাঁটা নিয়ে উল বুনতে ভুলেছিলাম। ভুলেছিলাম মা কে দুবেলা ফোন দিতে। কিংবা ছেলেকে চাঁদ দেখানোর সময় ছিলো না এতোদিন। আমাদের এতোদিনের 'সময় নেই, সময় নেই' অভিযোগ আজ মুখ লুকিয়েছে করোনার বুকে। আমরা কি এটাও জানতাম যে সকাল ন'টায় বেরিয়ে রাতে ফেরা আমাদের বরগুলো সারাদিন ঘরেই শুয়ে বসে কাটিয়ে দিতে পারে? তারপর হঠাৎ একদিন বলে উঠতে পারে 'আজ তুমি সরো, আমি রান্না করবো'। সে...