পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অ' জুবিন দা...

 অ' জুবিন দা... লাল চন্দন কাঠের চিতায় চড়ে তুমি চলে গেলে জুবিন'দা। পৃথিবীর ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল সাক্ষর রেখে গেলে। আজ বিশ্ববাসীকে সাক্ষী রেখে তুমি অনন্তধামের পথে। এই কদিন নীরব চেয়ে থাকা আর অশ্রু ঝরানো ছাড়া কিছু করার ছিলনা কারোর। তোমার অপার্থিব শরীরের পাশে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার কন্ঠে 'অ জুবিন দা,জুবিন দা,' বলে আহ্বান এক পরম শক্তিশালী যুগপুরুষকে চিহ্নিত করেছে। জুবিন দা, অন্ধকার না হলে, আলোর মর্ম আমরা কোনোদিন বুঝিনি, বুঝবোও না। তোমার চলে যাওয়া তাই প্রমাণ করল, মানুষের মনে তোমার কী ভীষণ ভাবে বেঁচে থাকা। এই জন্মে তো অনেক আন্দোলন দেখলাম,কত প্রতিবাদ, কত দেশ দশের কত ভাঙা গড়া। কিন্তু এই মহাযাত্রা জন্ম জন্মান্তরেও ভুলবোনা। একাধারে গায়ক, সুরকার,গীতিকার, অভিনেতা, চলচ্চিত্রকার এই মানুষটির এভাবে চলে যাওয়া আমরা মেনে নিতে পারিনি। আমরা একে অন্যকে জড়িয়ে কেঁদেছি, শুধু কাউকে কিছু না বলে চলে গেলে বলে নয়। কেঁদেছি আমাদের অসীম ব্যর্থতায়, তোমাকে আমরা ধরে রাখতে পারিনি বলে। প্রতিটি সম্পর্ক বেঁচে থাকে যত্নে। একটুখানি যত্ন পেলে এই ভাঙনের পৃথিবীতেও আশ্চর্য এক মায়ায় মানুষ আটকে যায়। না, আম...

জুবিন ও কিছু কথা

 ‘রৈ রৈ বিনালে’ ও কিছু কথা "প্রতি শৰতৰ প্রভাতী ফুলে, কব তোমাকেই মোৰ কথা/প্রতি মেঘালী নিশা জোনে কব তোমাকেই মোৰ ব্যথা।" আদ্যোপান্ত একটি প্রেমের গান। কিন্তু গায়কের মৃত্যুর পর এই গানটি এক অন্য মোহনায় পাড়ি দিল। ঠিক যেমন নদী এসে সাগরে মিশে যায়। এক ব্যক্তি অনুভব যেন সমষ্টির অনুভবে পরিণত হলো। আমরা আজও জানিনা কী আছে গানটিতে। প্রতিটি শব্দে, প্রতিটি তাল, লয়, সুরে যেন শিল্পী তার অকথিত, অলিখিত কিছু ব্যথা কষ্ট ছড়িয়ে গেছেন। আর ঠিক এমনটাই অনুভব- তার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'ৰৈ ৰৈ বিনালে' দেখার পর।           ছবিটির গল্প,কিংবা চরিত্র আমাদের খুব পরিচিত। ঠিক একই রকম বিষয় নিয়ে হয়তো নানা ভাষায় অসংখ্য ছবি তৈরি হয়েছে এদেশে। কাহিনির দিক থেকে দেখতে গেলে, পুরোপুরি গোলাকার একটি মিস্টি প্ৰেমের গল্প। ক্লাইম্যাক্সও দুর্বল। চরিত্র নির্মাণ এবং সংলাপও তেমন উচ্চ পর্যায়ের নয়। সবমিলিয়ে সাধারণ একটি প্রেমের গল্প। প্রেমের পরিণতিতেই ছবির সুখসমাপ্তি।         কিন্তু ছবিটির অন্তরালে যেন অন্য এক গল্প লেখা হলো। একজন অন্ধ গায়ক। যার কাছে এই রঙীন পৃথিবীর কোনও অর্থ ন...